পবিত্র যিলহজ্জ মাস উনার পহেলা তারিখ হচ্ছে ১১ জানুয়ারী ২০০৫ ঈসায়ী, ইয়াওমুছ ছুলাছা বা মঙ্গলবার। আর ঈদুল আদ্বহা পালন করতে হবে ২০ জানুয়ারী ২০০৫ ঈসায়ী, ইয়াওমুল খ¦মীস বা বৃহস্পতিবার। নাঊযুবিল্লাহ!
পবিত্র যিলহজ্জ মাস উনার পহেলা তারিখ হচ্ছে ১১ জানুয়ারী ২০০৫ ঈসায়ী, ইয়াওমুছ ছুলাছা বা মঙ্গলবার। আর ঈদুল আদ্বহা পালন করতে হবে ২০ জানুয়ারী ২০০৫ ঈসায়ী, ইয়াওমুল খ¦মীস বা বৃহস্পতিবার। নাঊযুবিল্লাহ!
সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার যে পদ্ধতিতে আরবী মাস উনাদের তারিখ ঘোষণা করে তাতে চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু হয়না এমনকি অনেক মাস উনার ত্রিশতম দিনেও চাঁদ দৃশ্যমান হয়না।
সঠিক শর্ত বা ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী চাঁদের আগাম ক্যালেন্ডার রচিত থাকলেও আকাশে চাঁদ তালাশ করতেই হবে যেহেতু প্রতিমাসে চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া।
সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী খালি চোখে চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করা শর্তকে উপেক্ষা করে সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার যত পদ্ধতিই তৈরি করুক না কেন, সে অনুযায়ী আরবী মাস শুরু করলে মুসলমান উনাদের পবিত্র হজ্জ, রোযাসহ সম্মানিত শরীয়ত উনার অনেক আমল বরবাদ হয়ে যাবে এবং যাচ্ছে। আর উক্ত মনগড়া নিয়মে আরবী মাস গণনা করায় সে দেশসহ অনুসারী সবার সমস্ত আমল নষ্টের দায়-দায়িত্ব সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকেই নিতে হবে।
বাংলাদেশের জন্য ১৪৪৩ হিজরীর পবিত্র সফর শরীফ মাস উনার চাঁদের প্রতিবেদন
চাঁদ মানুষের ইবাদতের সময় নির্ধারক। সম্মানিত হজ্জ উনার সময় ঠিক করার মাধ্যম। চাঁদ দেখে রোজা রাখতে হবে রোজা ভাঙতে হবে। অর্থাৎ সকল মাস চাঁদ দেখে গণনা করতে হবে। আকাশ মেঘলা থাকলে মাস ত্রিশ দিনে পূর্ণ করতে হবে।
২৯ যিলহজ্জ শরীফ ১৪৪২ হিজরী, ১০ ছালিছ ১৩৮৯ শামসী (০৯ আগস্ট ২০২১), ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৩ হিজরীর পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখা যায়নি।
এটা স্পস্ট বোঝা গেল যে, যেকোন দেশেই চাঁদ প্রথম দেখা যেতে পারে। নির্দিষ্ট একটি দেশে সব সময় চাঁদ দেখা যায়না। তাহলে এবার আমার জানার আগ্রহ একদিনে কি পৃথিবীর সকল দেশ বা স্থানে চাঁদ দেখা সম্ভব?
সউদী আরব তাদের চাঁদ দেখার প্রথম পদ্ধতি কেন বাদ দিল আর দ্বিতীয় পদ্ধতিই বা কেন প্রয়োগ করলো এই বিষয় নিয়ে আমার জানার আগ্রহ ছিল কিন্তু সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে কেউ একজন বাংলাদেশের প্রধামন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে সউদী আরবের সাথে একই দিনে ঈদ বা রোজা পালন করার জন্য । এ ব্যাপারে আপনার কাছ থেকে কিছু শুনতে চাই।
সউদি আরবের মনগড়া পদ্ধতিগুলোর একটু ব্যাখ্যা প্রয়োজন। প্রথম পদ্ধতি থেকেই জানতে চাই। (১৯৫০-১৯৭২): সূর্যাস্তের সময় চাঁদ ৯ ডিগ্রী উপরে থাকলে সউদী আরব মাস শুরু করতো।
সউদী আরবের মনগড়া নিয়মগুলো কি কি? এটা কি কেবল আপনারাই বলেন নাকি আসলেই তারা তা অনুসরণ করে?
আমি চাঁদ দেখার ব্যাপারে পবিত্র কুরাআন শরীফ উনার মধ্যে কি আছে তা জানতে বাসনা রাখি। এর আগেও শুনেছি সউদী আরব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার নির্দেশ অমান্য করে এবং মনগড়া নিয়মে মাস গণনা করে। আমি এর আগেও আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম যে সউদী আরব সহ অন্য অনেক দেশের চাঁদ দেখা নিয়ে মিথ্যাচারিতা করে কি লাভ, আমি কিন্তু এখনো তার উত্তর পাইনি।