আন্তর্জাতিক মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল
৩৭ ছফর শরীফ ১৪৪৪ হিজরী

চাঁদের তারিখ ঘোষণায় সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সউদী মুফতীদের ফতওয়া
মনগড়াভাবে সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারের চাঁদের তারিখ ঘোষণার বিরুদ্ধে দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বাইয়্যিনাত সহ অন্যান্য পত্রিকায় অনেক লেখা প্রকাশিত হওয়ার পরেও বাংলাদেশ সহ অনেক দেশের উলামায়ে সূ এবং সাধারণ মানুষের ধারণা এসকল বিরুদ্ধাচরণ হয়তো আক্রোশমূলক অথবা গোষ্ঠী ভিত্তিক।

কিন্তু খোদ সউদী আরবের মুফতী, প্রচার মাধ্যম, বিজ্ঞানীরা যে সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারের এসব শরীয়ত বহির্ভূত সিদ্ধান্ত এবং স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে সোচ্চার, তা অনেকেরই জানা নেই।

উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে যে,

১৪২০ হিজরী সনে সউদী আরবে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হয় ৭ই জানুয়ারী, জুমু‘আ বার। অথচ ৬ই জানুয়ারী, ইয়াওমুল খ¦মীস বা বৃহস্পতিবার পৃথিবীর কোথাও শাওওয়াল মাসের চাঁদ দৃশ্যমান হয়নি।

৬ই জানুয়ারী সউদী আরবে সূর্য অস্ত গিয়েছিল ৫টা ৫৬ মিনিটে অথচ চাঁদ অস্ত যায় সূর্য অস্ত যাওয়ার ৯ মিনিট পূর্বেই। আরও অবাক বিষয় হচ্ছে, তাদের গণনাকৃত শাওওয়াল মাস শুরু হওয়ার ৪ ঘণ্টা পর চাঁদ অমাবস্যায় যায়। তাহলে যে চাঁদ অমাবস্যাতেই পৌঁছেনি সে চাঁদ যে দৃশ্যমান হয়নি, তা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। ফলে সউদী আরবের কয়েকজন মুফতী এ ব্যাপারে সোচ্চার হয়ে উঠে।

১৪২০ হিজরীতে সউদী আরবের চাঁদের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে শায়েখ ডঃ ইউসুফ আল কারদায়ি ফতওয়া দেয় যে, “যারা ১৪২০ হিজরীতে জুম‘আ বারে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করেছে তারা যেন একটি রোযা ক্বাযা আদায় করে নেয়”।

এছাড়াও শায়েখ মুহম্মদ বিন সালেহ আল উথাইমিন ফতওয়া দেয়, “যদি পৃথিবীর কোথাও সূর্যাস্তের পর সূর্যগ্রহণ হয় তবে পরের দিন কখোনোই নতুন মাসের নতুন দিন শুরু হবে না।”

 


 
চিত্র : শায়েখ ডঃ ইউসুফ আল কারদায়ির ফতওয়া