আন্তর্জাতিক মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল
৩৭ ছফর শরীফ ১৪৪৪ হিজরী

প্রামাণ্য দলীল ১ :

সউদী আরবের চাঁদ গবেষক আদনান খাদী ১৯৬১ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত মোট ৪৪ বছরের শুধু পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার তারিখ ঘোষণার একটি চিত্র তুলে ধরেন-

১) পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার ৪৬টি চাঁদের ঘোষণার মধ্যে ২৯টি মাসের তারিখ ঘোষিত হয়েছিলো যখন আকাশে চাঁদের উপস্থিতিই ছিল না। অথচ সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার সেদিন নিশ্চিতভাবে চাঁদ দেখতে পাওয়ার দাবী করেছিলো। অর্থাৎ ৬৩ ভাগ সময় আকাশে চাঁদের উপস্থিতই ছিলনা। নাঊযুবিল্লাহ!

২) ২২টি চাঁদের ঘোষণা ছিল যখন আকাশে চাঁদের উপস্থিতি ছিল কিন্তু সেই চাঁদ টেলিস্কোপ ব্যবহার করেও দেখা যায়নি। নাঊযুবিল্লাহ!

৩) ৬টি চাঁদের ঘোষণা ছিল খালি চোখে চাঁদ দেখতে পাওয়ার অবস্থায়। অর্থাৎ মাত্র ১৩ ভাগ সময়ে চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।

প্রামাণ্য দলীল ২ :

১৯৮৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সউদী আরবে পবিত্র শাওওয়াল মাস, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস (১৯৮০ থেকে ২০০৮) ও পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনাদের চাঁদের তারিখ ঘোষণার দিন পর্যবেক্ষণ করে নীচের তথ্য পাওয়া যায়।

পবিত্র শাওওয়াল মাস :  চাঁদ দেখা যাওয়ার আকৃতিতেই পৌঁছেনি ১৪ বছর বাইনোকুলার ও টেলিস্কোপের সাহায্য প্রয়োজন হয়েছে ২ বছর চাঁদ দেখতে পাবার পরিবেশ ছিল ১ বছর মাত্র চাঁদ অমাবস্যায় যাওয়ার পূর্বেই তারিখ ঘোষিত হয়েছে ৮ বছর

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস : (১৯৮০-২০০৮ পর্যন্ত) চাঁদ দেখা যাওয়ার আকৃতিতেই পৌঁছেনি ১৪ বছর টেলিস্কোপেও চাঁদ দেখা যায়নি ১ বছর বাইনোকুলার ও টেলিস্কোপের সাহায্য প্রয়োজন হয়েছে ২ বছর দেখা যাওয়ার আকৃতিতে ছিল ১ বছর চাঁদ অমাবস্যায় যাওয়ার পূর্বেই তারিখ ঘোষিত হয়েছে ১২ বছর

পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস : চাঁদ দেখা যাওয়ার আকৃতিতেই পৌঁছেনি ১৯ বছর বাইনোকুলার ও টেলিস্কোপের সাহায্য প্রয়োজন হয়েছে ৫ বছর চাঁদ দেখতে পাবার পরিবেশ ছিল ১ বছর মাত্র