আন্তর্জাতিক মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল
১৫ শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৩ হিজরী

প্রকৃতপক্ষে সউদী আরবে কোনো মাসই চাঁদ দেখে শুরু হয় না, তাই মানুষের উপলব্ধির জন্য এখানে ২৬ বছরের তিনটি মাসের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখানো হলো।

১৪০০ হিজরী থেকে ১৪২৫ হিজরী এই ২৬ বছরে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস, পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস এই তিন মাস যেদিন সউদী আরবে শুরু হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করে নিচের তথ্য পাওয়া গেছে।

মাস চাঁদ দেখা একবারেই অসম্ভব ছিল সম্ভব ছিল না সম্ভব ছিল

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস : (মোট ২৬টি রমাদ্বান শরীফ) ১২ বার ৪৬% ৯ বার ৩৫% ৫ বার ১৯%
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস : (মোট ২২টি শাওওয়াল শরীফ) ১১ বার ৫০% ৬ বার ২৭% ৫ বার ২৩%
পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস : (মোট ২৬টি যিলহজ্জ শরীফ) ৮ বার ৩১% ১২ বার ৪৬% ৬ বার ২৩%

এখানে ‘একেবারেই অসম্ভব’ বলতে সূর্যাস্তের পূর্বেই চাঁদ অস্ত গিয়েছিল। ‘সম্ভব ছিলো না’ বলতে সূর্যাস্তের পর চাঁদ অস্ত গিয়েছিল। আর ‘সম্ভব ছিলো’ বলতে কখনো খালি চোখে কখনো যন্ত্রের সাহায্যে দেখার সম্ভাবনা ছিল।

এখানে কতগুলো বিষয় গুরুত্বপূর্ণ এই যে, সূর্যাস্তের পর চাঁদ অস্ত গেলেই চাঁদ দৃশ্যমান হয় না। আবার যন্ত্রের সাহায্যে চাঁদ দেখতে পেলেও তা আরবী মাস গণনা শুরু করার জন্য প্রযোজ্য নয়।

উদাহরণ হিসেবে আরো বলা যেতে পারে, ১৪২৮ হিজরী সনে সউদী আরবের আকাশে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ বাস্তবে দেখা গিয়েছিলো বাংলাদেশের সন্ধ্যার তিন ঘণ্টা পর ১১ই ডিসেম্বর ইয়াওমুছ ছুলাছা বা মঙ্গলবার। কিন্তু সউদী সরকার মনগড়াভাবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখার দাবী করেছিলো ৯ই ডিসেম্বর অমাবস্যার দিন। এরকম অনেক প্রমাণ রয়েছে।

প্রেক্ষিত কারণেই বলতে হয়, অমাবস্যা হচ্ছে সেই দিন যেদিন চাঁদ কখনোই দৃশ্যমান হয় না। ফলে সেদিন চাঁদ দেখার দাবী করার মতো এতো স্পষ্ট মিথ্যা সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কিভাবে করতে পারে এটাই বিশ্ববাসীর প্রশ্ন।