আন্তর্জাতিক মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল
১৫ শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৩ হিজরী

আরবী মাস হয় ২৯ বা ৩০ দিনে হবে। এটাই সম্মানিত শরীয়ত উনার বিধান। কিন্তু সউদী সরকার যেহেতু ওহাবী এবং ইহুদী। ফলে তাদের শরীয়ত ভিন্ন। যদি তাই না হয়, তবে কেন আরবী মাস ৩১ দিনে গণনা করে? নাঊযুবিল্লাহ! ১৪২৮ হিজরী সনের পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হয়েছিলো ১০ই ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে। আর ৯ই জানুয়ারী, ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার, ২০০৮-এ পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখতে পায়। এই দুই তারিখের সময়ের ব্যবধান ছিল ৩১ দিন। নাঊযুবিল্লাহ! ৩১ দিনের একদিন গোপন করার উদ্দেশ্যে তারা ২৮শে ডিসেম্বর এবং ২৯শে ডিসেম্বর এই উভয়দিনকে ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ বলে চালিয়ে দেয়। নাঊযুবিল্লাহ!


চিত্র : সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কর্তৃক ১৪২৮ হিজরী সনের পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস হেরফেরের নমুনা

১৪২৮ হিজরী সনে অর্থাৎ ২০০৭ ঈসায়ী সালে বাংলাদেশ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখতে পেয়েছে ১১ই ডিসেম্বর, ইয়াওমুছ ছুলাছা বা মঙ্গলবার। সউদীতে চাঁদ দেখার কথা ছিল বাংলাদেশের প্রায় ৩ ঘণ্টা পর। অথচ সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার চাঁদ না দেখেই ঘোষণা দিয়েছিল যে, তারা চাঁদ দেখতে পেয়েছে ইয়াওমুল আহাদ বা রবিবার, ৯ই ডিসেম্বর। সে অনুযায়ী অকুফে আরাফা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮ই ডিসেম্বর এবং ঈদুল আদ্বহা পালিত হয়েছিল ১৯ ডিসেম্বর। প্রকৃতপক্ষে অকুফে আরাফা অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত ছিল ২০শে ডিসেম্বর, ইয়াওমুল খ¦মীস বা বৃহস্পতিবার এবং পবিত্র ঈদুল আদ্বহা পালিত হওয়া উচিত ছিল ২১শে ডিসেম্বর, ইয়াওমুল জুমু‘আহ বা জুমুয়াবার।

কেননা,

১. জিরোমুন অর্থাৎ অমাবস্যা সংঘটিত হয়েছিল ৯ই ডিসেম্বর, ইয়াওমুল আহাদ বা রোববার, ১৭টা ৪০ মিনিট ২৫ সেকেন্ড (আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী) এবং কে.এম.টি বা সউদী সময় অনুযায়ী রাত ৮টা ৪১ মিনিটে।

২. সেদিন অর্থাৎ ৯ই ডিসেম্বর ইয়াওমুল আহাদ বা রোববার পবিত্র মক্কা শরীফ উনার আকাশে চাঁদ অস্ত যায় ৫টা ১৬ মিনিটে এবং সূর্য অস্ত যায় চাঁদ অস্ত যাওয়ার ২২ মিনিট পর। সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বেই যে চাঁদ অস্ত যায়, সউদী আরব কি করে সেই চাঁদ দেখতে পেয়েছিলো?

৩. অমাবস্যার একদিন পূর্ব থেকেই যখন চাঁদ অদৃশ্য হয়ে যায় সেখানে অমাবস্যায় যাওয়ার ৩ ঘণ্টা পূর্বেই কি করে সউদী সরকার চাঁদ দেখতে পেয়েছিলো? তাদের সৃষ্ট এ ভুলের কারণেই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস ৩১ দিনে গুণতে হয়েছিলো। নাঊযুবিল্লাহ!