আন্তর্জাতিক মজলিসু রুইয়াতিল হিলাল
৭ রমাদ্বান শরীফ ১৪৪২ হিজরী

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আহলে কিতাব অর্থাৎ ইহুদী-নাছারা তথা কাফির-মুশরিকরা প্রতিহিংসাবশত চায় তোমরা (মুসলমানরা) ঈমান আনার পর তোমাদের কাফির বানিয়ে দিতে।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৯)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে- “হযরত উমর বিন শুয়াইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার পিতা হতে উনার পিতা উনার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ভিন্ন অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে সে আমাদের দলভূক্ত নয়। কাজেই আপনারা ইয়াহুদী এবং নাছারাদের সাদৃশ্য অবলম্বন করবেন না।” (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ-৩৯৯ পৃষ্ঠা)

আর তাই যারা খোদাদ্রোহী, যারা শয়তানের অনুচর, কাফির-মুশরিক তারা কি করবে? তারা উল্লেখিত প্রতিটি আদেশ মুবারক উনার খিলাফ করবে।
১) চাঁদকে ইবাদতের সময় নির্ধারক হিসেবে না মেনে বরং তারা মনগড়া নিয়ম বের করবে। যেমন বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়া।
২) সম্মানিত হজ্জ উনার সঠিক তারিখের হের-ফের করবে।
৩) চাঁদ দেখে মাস গণনা না করে বরং কম্পিউটারে দেখে বা হিসেব করে মাস শুরু করবে।
৪) আকাশ মেঘলা থাকার কারণে চাঁদ দেখা না গেলেও মিথ্যা সাক্ষী জোগাড় করে হলেও মাস শুরু করবে।
৫) সর্বোপরি হিলাল বা বাঁকা চাঁদ দেখে মাস গণনা না করে বরং ইহুদীদের আদর্শ অনুসরণ করে অমাবস্যা থেকে মাস গণনা করবে।

বাস্তবে হচ্ছেও তাই। কিন্তু বিষয়টি সাধারণ মানুষের কারোই জানা নেই। দুর্ধষ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সি.আই.এ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ ঈসায়ী সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর। আর ১৯৪৮ ঈসায়ী সালের ১২ই মে ইহুদীরা অবৈধ ইসরাঈলকে রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দেয়। মুসলমান উনাদের ভূখণ্ডে এই ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের সাথে সরাসরি অংশগ্রহণ করে ইহুদীদের চাচাতো ভাই সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার। এরপর থেকেই অর্থাৎ ১৩৬৭ হিজরী (১৯৪৮ ঈসায়ী) সাল থেকে চলছে মুসলমান উনাদের পবিত্র ইবাদত হজ্জ নষ্ট করার ষড়যন্ত্র। সি.আই.এ ও অবৈধ ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাঈলের সহযোগিতায় সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার শুরু করে এই নিকৃষ্ট ষড়যন্ত্র। পবিত্র হজ্জ নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে একটি নীল নকশা হচ্ছে চাঁদের তারিখ পরিবর্তন।