আন্তর্জাতিক মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল
৩৭ ছফর শরীফ ১৪৪৪ হিজরী

দর্শকঃ আপনারা প্রায়শই বলেন সউদি আরব “মনগড়া” নিয়মে মাস শুরু করেছে। এই মনগড়া নিয়মটা আবার কি। আরবী মাস শুরু করতে হয় সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশ অনুযায়ী অর্থাৎ চাঁদ দেখে।”মনগড়া নিয়মে” কিভাবে চাঁদ দেখে?

চাঁদ গবেষকঃ খালি চোখে চাঁদ তালাশের মাধ্যমে আরবী মাস শুরু করাই হচ্ছে শরীয়ত সম্মত পদ্ধতি। চাঁদ দেখা গেলে নতুন মাস শুরু হবে আর দেখা না গেলে মাস ত্রিশ দিনে পূর্ণ করতে হবে। এর বাইরে যেকোন পদ্ধতিই হচ্ছে মনগড়া পদ্ধতি। এখন আসা যাক সউদী আরবের ক্ষেত্রে আমরা কেন বলি তারা মনগড়া নিয়মে মাস শুরু করে।

এখানে বলে রাখা ভাল আমরা সউদি আরবের কথা বেশী বলি কারণ তারা ইসলাম উনার অনুশাসন মানার দাবী করে, সেদেশে পবিত্র মক্কা শরীফ- মদীনা শরীফ রয়েছে, পবিত্র হজ্জ শরীফ সেদেশে গিয়েই পালন করতে হয় ইত্যাদি নানা কারণে। কিন্তু বাস্তবে শুধু সউদী আরব নয় পৃথিবীর অনেক মুসলিম দেশই মনগড়া নিয়মে মাস শুরু করে যাচ্ছে।

দর্শকঃ কিন্তু মনগড়া নিয়মটা কি?

চাঁদ গবেষকঃ কেউ কখনো নিশ্চিতভাবে বলতে পারবেনা যে কবে, কোথায় প্রথম চাঁদ দৃশ্যমান হবে। এখন কেউ যদি একটি আগাম আরবী ক্যলেন্ডার বানিয়ে মাস গণনা করতে থাকে, হিসাব-নিকাশ করতে থাকে তবে কি তা মনগড়া নিয়ম মানা হবে না? খোঁজ নিয়ে দেখুন সউদি ইহুদী ওহাবী সরকারের একটি কতৃপক্ষ আছে উম্মুল কুরা। এই উম্মুল করা একটি আগাম হিজরী ক্যালেন্ডার রচনা করে থাকে যা সউদি আরবে অনুসরণ করা হয়। তাই আমরা বলছি সউদি আরব “মনগড়া” নিয়মে মাস শুরু করে থাকে। এছাড়াও আরও কারণ রয়েছে যা সময়মত আলচোনা করা যাবে।